ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার দিনাজপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মাগুরায় একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাগুরা শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও আলোচনা সভা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  দক্ষিণ সুন্দরপুর পাঁচপুকুরিয়া ইসলামিয়া গাউছিয়া নূরানী হ হেফজখান ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাগুরায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আন্তঃ  কলেজ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন  পঞ্চগড়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস—অভিযুক্ত প্রত্যাশা কোচিং সেন্টারের পরিচালক  হাটহাজারী ফরহাদাবাদ ফটিকছড়ি সীমান্তে বিয়ের প্রস্তুতি বৈঠকে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ২ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতার কামনায় খুলনা নগরীতে দোয়া মাহফিল।

সাবেক এমপি’র স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। মোঃ শহিদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫ ১১ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক এমপি’র স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা।

মোঃ শহিদুল ইসলাম,
নিজস্ব প্রতিবেদক।

পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তারের স্ত্রী মেজর (অব.) কাজী মৌসুমীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রীণ মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিমিটেড নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা শতাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ চার বছরেও তাদের মূলধন ফেরত পাননি।

রবিবার দুপুরে শহরের বণিক সমিতি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা জানান, ২০১০ সালের নভেম্বরে পঞ্চগড় শহরের রৌশনাবাগ এলাকায় গ্রীণ মাল্টিপারপাস সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমবায় অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। পরে তৎকালীন সংসদ সদস্য মুক্তারের স্ত্রী মেজর (অব.) মৌসুমী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন।

২০১৯ সালের আগস্টে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে যোগ দেওয়ার পর মৌসুমী ও সংস্থার জিএম এনামুল হক বিনিয়োগকারীদের প্রলোভন দেখান—ব্যাংকের তুলনায় বেশি, অর্থাৎ ১৫ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে। লিখিত চুক্তির ভিত্তিতে তারা প্রায় ৬৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।

কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, এর পর থেকে প্রতিশ্রুতি দিলেও এক টাকাও ফেরত পাননি তারা। বর্তমানে সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ, অফিসে তালা ঝুলছে, চেয়ারম্যান ও জিএম উধাও। ভুক্তভোগীদের দাবি, জেলায় প্রায় শতাধিক বিনিয়োগকারীর সাড়ে তিন কোটি টাকা আটকে আছে।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুল মালেক, শামসুল হক, আবুল হাশেমসহ কয়েকজন বলেন, “আমরা সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছি বলে মেজর মৌসুমীকে বিশ্বাস করেছি। তিনি নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এখন আসল টাকাও ফেরত পাচ্ছি না।”

তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতিও চলছে।

এ বিষয়ে মেজর (অব.) মৌসুমী ও জিএম এনামুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাবেক এমপি’র স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। মোঃ শহিদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

সাবেক এমপি’র স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা।

মোঃ শহিদুল ইসলাম,
নিজস্ব প্রতিবেদক।

পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তারের স্ত্রী মেজর (অব.) কাজী মৌসুমীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। গ্রীণ মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিমিটেড নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা শতাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ চার বছরেও তাদের মূলধন ফেরত পাননি।

রবিবার দুপুরে শহরের বণিক সমিতি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা জানান, ২০১০ সালের নভেম্বরে পঞ্চগড় শহরের রৌশনাবাগ এলাকায় গ্রীণ মাল্টিপারপাস সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমবায় অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। পরে তৎকালীন সংসদ সদস্য মুক্তারের স্ত্রী মেজর (অব.) মৌসুমী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন।

২০১৯ সালের আগস্টে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে যোগ দেওয়ার পর মৌসুমী ও সংস্থার জিএম এনামুল হক বিনিয়োগকারীদের প্রলোভন দেখান—ব্যাংকের তুলনায় বেশি, অর্থাৎ ১৫ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে। লিখিত চুক্তির ভিত্তিতে তারা প্রায় ৬৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।

কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, এর পর থেকে প্রতিশ্রুতি দিলেও এক টাকাও ফেরত পাননি তারা। বর্তমানে সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ, অফিসে তালা ঝুলছে, চেয়ারম্যান ও জিএম উধাও। ভুক্তভোগীদের দাবি, জেলায় প্রায় শতাধিক বিনিয়োগকারীর সাড়ে তিন কোটি টাকা আটকে আছে।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুল মালেক, শামসুল হক, আবুল হাশেমসহ কয়েকজন বলেন, “আমরা সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছি বলে মেজর মৌসুমীকে বিশ্বাস করেছি। তিনি নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এখন আসল টাকাও ফেরত পাচ্ছি না।”

তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে এবং মামলা করার প্রস্তুতিও চলছে।

এ বিষয়ে মেজর (অব.) মৌসুমী ও জিএম এনামুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।