নরসিংদীতে স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু এলাকায় শোকাহত
- আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু এলাকায় শোকাহত
তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি
নরসিংদী করিমপুর ইউনিয়নের শ্রীনগর দরিপাড়া গ্রামে হৃদয়বিদারক এক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। গত শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেল ৪টার দিকে স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ হারান ওই এলাকার বাসিন্দা বাবুল মিয়ার মেয়ে শাহিনূর আক্তার (১৮)।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহিনূরের স্বামী নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউনিয়নের মোমেন মিয়ার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী শরীফ মিয়া (২৫)। ঘটনাদিন বিকেলে পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে শরীফ মিয়া তার স্ত্রীকে বেদম মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে শাহিনূর অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত নরসিংদী সদর স্টেশন রোডের নূর প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহিনূরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ সময় ঘাতক স্বামী শরীফ পালিয়ে যায়। পরে তার বড় ভাই হাসান ও দুলাভাই জামাল নিহতের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগসাজশে তিন লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়।
এ বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক সাংবাদিকদের জানান, “স্থানীয়দের ফোনে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা রজু হচ্ছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
এলাকাবাসী জানায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী শরীফ হঠাৎই দেশে ফিরে এসে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিল। পূর্বপরিকল্পিতভাবেই সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। এর আগে শরীফের প্রথম স্ত্রীও তার নির্যাতনের শিকার হয়ে ডিভোর্স নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহত শাহিনূরের আড়াই বছরের শিশু ছেলে সাফওয়ান মায়ের হত্যার মুহূর্তে উপস্থিত ছিল। অবুঝ শিশুটিই বাবার হাতে মায়ের নির্মম পরিণতির নীরব সাক্ষী হয়ে রইল।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুরো এলাকাজুড়ে বইছে শোকের মাতম ও ক্ষোভের ঝড়। বিশেষ প্রতিনিধি লো
নরসিংদী করিমপুর ইউনিয়নের শ্রীনগর দরিপাড়া গ্রামে হৃদয়বিদারক এক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। গত শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেল ৪টার দিকে স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ হারান ওই এলাকার বাসিন্দা বাবুল মিয়ার মেয়ে শাহিনূর আক্তার (১৮)।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহিনূরের স্বামী নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউনিয়নের মোমেন মিয়ার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী শরীফ মিয়া (২৫)। ঘটনাদিন বিকেলে পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে শরীফ মিয়া তার স্ত্রীকে বেদম মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে শাহিনূর অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে দ্রুত নরসিংদী সদর স্টেশন রোডের নূর প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহিনূরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ সময় ঘাতক স্বামী শরীফ পালিয়ে যায়। পরে তার বড় ভাই হাসান ও দুলাভাই জামাল নিহতের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগসাজশে তিন লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়।
এ বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক সাংবাদিকদের জানান, “স্থানীয়দের ফোনে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা রজু হচ্ছে এবং আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
এলাকাবাসী জানায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী শরীফ হঠাৎই দেশে ফিরে এসে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিল। পূর্বপরিকল্পিতভাবেই সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। এর আগে শরীফের প্রথম স্ত্রীও তার নির্যাতনের শিকার হয়ে ডিভোর্স নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহত শাহিনূরের আড়াই বছরের শিশু ছেলে সাফওয়ান মায়ের হত্যার মুহূর্তে উপস্থিত ছিল। অবুঝ শিশুটিই বাবার হাতে মায়ের নির্মম পরিণতির নীরব সাক্ষী হয়ে রইল।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুরো এলাকাজুড়ে বইছে শোকের মাতম ও ক্ষোভের ঝড়।























