মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান ভূয়া পরিচয় দিয়ে অভিনব প্রতারণা
- আপডেট সময় : ১১:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে

মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান ভূয়া পরিচয় দিয়ে অভিনব প্রতারণা
নিজস্ব প্রতিবেদক দূর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।
মো: মাহমুদুল হাসান মাহমুদ খুলে বসেছেন একটি ভূয়া প্রতিষ্ঠানের। হয়েছেনও ভূয়া চেয়ারম্যান। তার ভূয়া প্রতিষ্ঠানের নাম সেন্টার ফর এনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড (সি.ইএইচ.আর.এল.এ)। মাহমুদুল হাসান মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশব্যাপী কমিটি গঠন, কার্ড বাণিজ্য, ওয়াকিটকি সরবরাহ এবং মানবাধিকার কর্মীদের ইউনিফর্ম দেওয়ার কথা বলে গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে প্রতারিত করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। ব্যক্তি পর্যায়ে প্রতারণা করছেন এমন নয়- তার বিরুদ্ধে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিবের সিলমোহর ও স্বাক্ষর জাল করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আর এ সবই তিনি করেছেন সেন্টার ফর এনফোর্সমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড (সি.ইএইচ.আর.এল.এ) এর তথাকথিত চেয়ারম্যান সেজে।
সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান খুলনার ফুলবাড়ি গেটের শেখ শাহিন হোসেনসহ অমিত তালুকদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ জুসেল, মাহবুবুল আলম সবুজ, মোঃ আল আমিন ও জাহারুল ইসলাম এর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি ভূয়া মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের জয়েন্ট স্টক থেকে ১৯৯৮ সালে নিবন্ধন করা হয়। যার নম্বর ঝ-১৯৩৪(১১০)/৯৮। এই সংস্থার চেয়ারম্যান কাজী ফয়জুল হক মৃত্যুবরণ করার পর থেকে সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের অনেকেই মৃত্যুবরণ কনে। এই বিষয়টা জানতে পেরে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে মাহমুদ নিজেকে এই সংস্থার চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়ে ৬৮ হাজার গ্রামের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করছেন । এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘এই সংস্থার চেয়ারম্যান কাজী ফয়জুল হক তার মৃত্যুর আগে আমাকে স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে গেছে যার ক্ষমতায় আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি’। স্ট্যাম্পে লিখে দেয়ার মাধ্যমে কাউকে লিখে দেয়া কিংবা পরিচালনা করতে দেয়া যায় কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরজিএস-এর একজন এডভোকেট বলেন, ‘এটা অসম্ভব এবং আইনবহির্ভূত’। স্ট্যাম্পে লিখিত বিষয়ে সংস্থার মহাসচিব (আসল) সৈয়দ আব্দুর রহমান বলেন, ‘কাজী মাহমুদুল হাসান একজন প্রতারক ঠকবাজ। জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মের নথি অনুযায়ী তার চেয়ারম্যান বা কোনো সাধারণ সদস্য পদে নাম না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন। খুব শীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে’।























