ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোকেয়া দিবসের মেলা কমিটিতে অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে কৃষক দলের নাম ব্যবহার করে বিতর্ক চলছে জনসাধারণের দাবি। মাগুরায় মাশরুম চাষির বাড়িতে ঢাকার অতিরিক্ত সচিব পরিদর্শন  অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার দিনাজপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মাগুরায় একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাগুরা শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও আলোচনা সভা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  দক্ষিণ সুন্দরপুর পাঁচপুকুরিয়া ইসলামিয়া গাউছিয়া নূরানী হ হেফজখান ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাগুরায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আন্তঃ  কলেজ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন  পঞ্চগড়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস—অভিযুক্ত প্রত্যাশা কোচিং সেন্টারের পরিচালক 

খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি ধরা পরছেনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫ ৮ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি ধরা পরছেনা

সরদার সাইদী হাসান বাবু্,
(ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি খুলনা বিভাগ)
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলকায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সংগঠিত হলেও মূল আসামিরা ধরা পড়ছে না। ফলে হত্যাকাণ্ড বন্ধও হচ্ছে না।
এর মধ্যে গত মঙ্গলবার ঘুমিয়ে থাকা যুবক তানভীর হাসান শুভকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
এসব নিয়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার মানুষ।

খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মহেশ্বরপাশা এলাকাটি দৌলতপুর থানা এলাকায় পড়েছে। এলাকাটি এক সময় চরমপন্থি অধ্যুষিত ছিল। গতবছর অভ্যুত্থানের পর পুরানো সন্ত্রাসীরা এলাকায় ফিরে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের লেনদেনে পরিবেশ সংঘাতময় হয়ে ওঠে। এর মধ্যেই গত ১১ জুলাই মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়া নিজ বাড়ির সামনে বহিস্কৃত যুবদল নেতা মাহাবুবুর রহমান মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। ফিল্মি স্টাইলে সংগঠিত ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে চরমপন্থি সংগঠনের বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে। এ ঘটনায় ওই মাসেই ৪ জনকে আটক করা হয়। গত দুই মাসে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আর কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের এ পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে মহেশ্বরপাশা বণিকপাড়া খানাবাড়ি এলাকায় আল আমিন নামে এক ঘের ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। রাত ৯টার দিকে রাস্তার ওপর তার মরদেহ ফেলে রেখে যায় তারা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদি হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। দুই মাস অতিবাহিত হলেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার এস আই আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

নিহত যুবদল নেতা মাহবুবের বাবা ও হত্যা মামলার বাদি আব্দুল করিম মোল্লা বলেন, তিন মাস পার হলো এখন পর্যন্ত প্রকৃত আসামি ধরা পড়েনি। বরং আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। রাতে ভয়ে আমরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারছি না। এরই মাঝে গত ০১ অক্টোবর ভোর রাতে একই এলাকার পশ্চিম পাড়ার শুভ নামে আরেকটি ছেলেকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করেছে। সব মিলিয়ে এলাকাবাসী খুবই ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি, দ্রুত এসব অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি ধরা পরছেনা

আপডেট সময় : ০২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড, মূল আসামি ধরা পরছেনা

সরদার সাইদী হাসান বাবু্,
(ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি খুলনা বিভাগ)
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলকায় একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সংগঠিত হলেও মূল আসামিরা ধরা পড়ছে না। ফলে হত্যাকাণ্ড বন্ধও হচ্ছে না।
এর মধ্যে গত মঙ্গলবার ঘুমিয়ে থাকা যুবক তানভীর হাসান শুভকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
এসব নিয়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার মানুষ।

খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মহেশ্বরপাশা এলাকাটি দৌলতপুর থানা এলাকায় পড়েছে। এলাকাটি এক সময় চরমপন্থি অধ্যুষিত ছিল। গতবছর অভ্যুত্থানের পর পুরানো সন্ত্রাসীরা এলাকায় ফিরে চাঁদাবাজি শুরু করেছে। অবৈধ অস্ত্র ও মাদকের লেনদেনে পরিবেশ সংঘাতময় হয়ে ওঠে। এর মধ্যেই গত ১১ জুলাই মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়া নিজ বাড়ির সামনে বহিস্কৃত যুবদল নেতা মাহাবুবুর রহমান মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। ফিল্মি স্টাইলে সংগঠিত ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে চরমপন্থি সংগঠনের বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে। এ ঘটনায় ওই মাসেই ৪ জনকে আটক করা হয়। গত দুই মাসে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আর কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের এ পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে মহেশ্বরপাশা বণিকপাড়া খানাবাড়ি এলাকায় আল আমিন নামে এক ঘের ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। রাত ৯টার দিকে রাস্তার ওপর তার মরদেহ ফেলে রেখে যায় তারা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদি হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। দুই মাস অতিবাহিত হলেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার এস আই আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

নিহত যুবদল নেতা মাহবুবের বাবা ও হত্যা মামলার বাদি আব্দুল করিম মোল্লা বলেন, তিন মাস পার হলো এখন পর্যন্ত প্রকৃত আসামি ধরা পড়েনি। বরং আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। রাতে ভয়ে আমরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারছি না। এরই মাঝে গত ০১ অক্টোবর ভোর রাতে একই এলাকার পশ্চিম পাড়ার শুভ নামে আরেকটি ছেলেকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করেছে। সব মিলিয়ে এলাকাবাসী খুবই ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি, দ্রুত এসব অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।