ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোকেয়া দিবসের মেলা কমিটিতে অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে কৃষক দলের নাম ব্যবহার করে বিতর্ক চলছে জনসাধারণের দাবি। মাগুরায় মাশরুম চাষির বাড়িতে ঢাকার অতিরিক্ত সচিব পরিদর্শন  অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার দিনাজপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মাগুরায় একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাগুরা শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও আলোচনা সভা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  দক্ষিণ সুন্দরপুর পাঁচপুকুরিয়া ইসলামিয়া গাউছিয়া নূরানী হ হেফজখান ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাগুরায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আন্তঃ  কলেজ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন  পঞ্চগড়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস—অভিযুক্ত প্রত্যাশা কোচিং সেন্টারের পরিচালক 

আজ বিশ্ব ডিম দিবস।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ বিশ্ব ডিম দিবস।

মাসুম ইবনে মুসা, খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি, দূর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার সারা বিশ্বে দিনটি উদযাপিত হয় ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের (আইইসি) উদ্যোগে। ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ডিমের পুষ্টিগুণ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তখন থেকেই বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে এই দিনটি। শক্তি ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম’ এ স্লোগান সামনে রেখে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আজ নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করছে। ডিমে রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ১৩টি পুষ্টিগুণ।

বিশ্ব খাদ্যব্যবস্থায় প্রোটিন অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। এ ক্ষেত্রে ডিমকে বলা হয় সবচেয়ে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর উৎস। মানবজাতির সুস্বাস্থ্য, শিশুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে ডিমের গুরুত্ব অপরিসীম। ডিমকে বলা হয় ‘প্রকৃতির পারফেক্ট ফুড’। কারণ একটি মাঝারি ডিমেই থাকে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব পুষ্টি উপাদান। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন (৬ থেকে ৭ গ্রাম), ভিটামিন এ, ডি, ই, ও বি১২; আয়রন, ফসফরাস, জিঙ্ক, সেলেনিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এবং ‘গুড ফ্যাট’ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের কোষ গঠন, পেশি বৃদ্ধি, হরমোন তৈরি ও রোগ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখে।

শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে ডিম হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর খাদ্য। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় শিশুরা যেভাবে প্রোটিন ও ভিটামিনের অভাবে ভোগে, সেখানে প্রতিদিন একটি ডিম অনেক পার্থক্য আনতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শিশুর মানসিক বিকাশ, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। এমনকি গর্ভবতী নারীদের জন্যও এটি নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় খাদ্য।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বলছে, একজন মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে বছরে অন্তত ১০৪টি ডিম খাওয়া দরকার। কিন্তু বাংলাদেশে এর প্রাপ্যতা এখন গড়ে ১৩৭টি ডিম প্রতি মাথায়, যা গত এক দশকে বড় অর্জন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজ বিশ্ব ডিম দিবস।

আপডেট সময় : ১০:২৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

আজ বিশ্ব ডিম দিবস।

মাসুম ইবনে মুসা, খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি, দূর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার সারা বিশ্বে দিনটি উদযাপিত হয় ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের (আইইসি) উদ্যোগে। ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ডিমের পুষ্টিগুণ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তখন থেকেই বিশ্বের ৮০টির বেশি দেশে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে এই দিনটি। শক্তি ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম’ এ স্লোগান সামনে রেখে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আজ নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করছে। ডিমে রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ১৩টি পুষ্টিগুণ।

বিশ্ব খাদ্যব্যবস্থায় প্রোটিন অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। এ ক্ষেত্রে ডিমকে বলা হয় সবচেয়ে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর উৎস। মানবজাতির সুস্বাস্থ্য, শিশুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশে ডিমের গুরুত্ব অপরিসীম। ডিমকে বলা হয় ‘প্রকৃতির পারফেক্ট ফুড’। কারণ একটি মাঝারি ডিমেই থাকে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব পুষ্টি উপাদান। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন (৬ থেকে ৭ গ্রাম), ভিটামিন এ, ডি, ই, ও বি১২; আয়রন, ফসফরাস, জিঙ্ক, সেলেনিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এবং ‘গুড ফ্যাট’ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের কোষ গঠন, পেশি বৃদ্ধি, হরমোন তৈরি ও রোগ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখে।

শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে ডিম হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর খাদ্য। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় শিশুরা যেভাবে প্রোটিন ও ভিটামিনের অভাবে ভোগে, সেখানে প্রতিদিন একটি ডিম অনেক পার্থক্য আনতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শিশুর মানসিক বিকাশ, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। এমনকি গর্ভবতী নারীদের জন্যও এটি নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় খাদ্য।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বলছে, একজন মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে বছরে অন্তত ১০৪টি ডিম খাওয়া দরকার। কিন্তু বাংলাদেশে এর প্রাপ্যতা এখন গড়ে ১৩৭টি ডিম প্রতি মাথায়, যা গত এক দশকে বড় অর্জন।