ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোকেয়া দিবসের মেলা কমিটিতে অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে কৃষক দলের নাম ব্যবহার করে বিতর্ক চলছে জনসাধারণের দাবি। মাগুরায় মাশরুম চাষির বাড়িতে ঢাকার অতিরিক্ত সচিব পরিদর্শন  অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার দিনাজপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মাগুরায় একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাগুরা শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও আলোচনা সভা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  দক্ষিণ সুন্দরপুর পাঁচপুকুরিয়া ইসলামিয়া গাউছিয়া নূরানী হ হেফজখান ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাগুরায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আন্তঃ  কলেজ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন  পঞ্চগড়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস—অভিযুক্ত প্রত্যাশা কোচিং সেন্টারের পরিচালক 

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিকদের নির্যাতন, শোষণ ও প্রতারণা,জাতিসংঘের বিশেষ উদ্বেগ।

মোঃ নুরুল ইসলাম  মালয়েশিয়া প্রতিনিধি  দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি 
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫ ১৯ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেনেভায় ২১ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকদের শোষণ ‌‘উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত’ রয়েছে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, পাসপোর্ট আটকে রাখা, চাকরির শর্তে অসঙ্গতি। সব মিলিয়ে বহু শ্রমিক গভীর ঋণ-দাসত্বের ফাঁদে পড়ে যাচ্ছেন।

 

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের ওপর অব্যাহত শোষণ, প্রতারণা ও গভীরতর ঋণ দাসত্বে’র বিষয়টি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ নিযুক্ত বিশেষজ্ঞরা।

 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস (বোয়েস) মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হাজারো শ্রমিক সরকারি ফি-এর পাঁচ গুণের বেশি অর্থ পরিশোধ করেছেন। কারো কারো মালয়েশিয়া যাত্রা থমকে গেছে, অন্যদিকে যারা পৌঁছেছেন, তারা শোষণ ও অনিশ্চয়তার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

 

এছাড়াও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ উদ্বেগজনকভাবে চলমান। বহু শ্রমিক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং চাকরির শর্তাবলির অসঙ্গতির শিকার হয়ে বিশাল ঋণের ভারে জর্জরিত হচ্ছেন।

 

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জোরপূর্বক বাড়তি অর্থ আদায়, সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে পাঠানো এবং প্রতিশ্রুত চাকরির সাথে বাস্তবতার বড় ধরনের অসামঞ্জস্যের কথা।

 

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, গুটিকয়েক রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি দুর্নীতি, স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়মতান্ত্রিক শোষণের মাধ্যমে একটি বন্ধ সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করছে। অনেক কর্মীকে দেশ ছাড়ার আগে একটি মিথ্যা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছিল যে তারা শুধুমাত্র সরকারি ফি পরিশোধ করেছেন।

 

অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি সামনে এনে জাতিসংঘ সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারকে বেশ কিছু কঠোর ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

 

নিয়োগ অ্যাজেন্সিগুলোর উপর কঠোর নজরদারি, কেন্দ্রীভূত চাকরি-পোর্টাল চালু, শ্রমিকদের কাছ থেকে নিয়োগ ফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ এবং শোষণমূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসে কার্যকর দ্বিপাক্ষিক পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিকদের নির্যাতন, শোষণ ও প্রতারণা,জাতিসংঘের বিশেষ উদ্বেগ।

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

জেনেভায় ২১ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকদের শোষণ ‌‘উদ্বেগজনকভাবে অব্যাহত’ রয়েছে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, পাসপোর্ট আটকে রাখা, চাকরির শর্তে অসঙ্গতি। সব মিলিয়ে বহু শ্রমিক গভীর ঋণ-দাসত্বের ফাঁদে পড়ে যাচ্ছেন।

 

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের ওপর অব্যাহত শোষণ, প্রতারণা ও গভীরতর ঋণ দাসত্বে’র বিষয়টি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ নিযুক্ত বিশেষজ্ঞরা।

 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস (বোয়েস) মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হাজারো শ্রমিক সরকারি ফি-এর পাঁচ গুণের বেশি অর্থ পরিশোধ করেছেন। কারো কারো মালয়েশিয়া যাত্রা থমকে গেছে, অন্যদিকে যারা পৌঁছেছেন, তারা শোষণ ও অনিশ্চয়তার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

 

এছাড়াও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ উদ্বেগজনকভাবে চলমান। বহু শ্রমিক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং চাকরির শর্তাবলির অসঙ্গতির শিকার হয়ে বিশাল ঋণের ভারে জর্জরিত হচ্ছেন।

 

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জোরপূর্বক বাড়তি অর্থ আদায়, সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে পাঠানো এবং প্রতিশ্রুত চাকরির সাথে বাস্তবতার বড় ধরনের অসামঞ্জস্যের কথা।

 

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, গুটিকয়েক রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি দুর্নীতি, স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়মতান্ত্রিক শোষণের মাধ্যমে একটি বন্ধ সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করছে। অনেক কর্মীকে দেশ ছাড়ার আগে একটি মিথ্যা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছিল যে তারা শুধুমাত্র সরকারি ফি পরিশোধ করেছেন।

 

অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি সামনে এনে জাতিসংঘ সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারকে বেশ কিছু কঠোর ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

 

নিয়োগ অ্যাজেন্সিগুলোর উপর কঠোর নজরদারি, কেন্দ্রীভূত চাকরি-পোর্টাল চালু, শ্রমিকদের কাছ থেকে নিয়োগ ফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ এবং শোষণমূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসে কার্যকর দ্বিপাক্ষিক পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি