ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোকেয়া দিবসের মেলা কমিটিতে অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে কৃষক দলের নাম ব্যবহার করে বিতর্ক চলছে জনসাধারণের দাবি। মাগুরায় মাশরুম চাষির বাড়িতে ঢাকার অতিরিক্ত সচিব পরিদর্শন  অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার দিনাজপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মাগুরায় একই রাতে দুই সরকারি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাগুরা শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও আলোচনা সভা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  দক্ষিণ সুন্দরপুর পাঁচপুকুরিয়া ইসলামিয়া গাউছিয়া নূরানী হ হেফজখান ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্যোগে বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাগুরায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আন্তঃ  কলেজ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন  পঞ্চগড়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস—অভিযুক্ত প্রত্যাশা কোচিং সেন্টারের পরিচালক 

রাজশাহী বাঘায় জিম্মি কোমলমতি শিশুরা একদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি অন্যদিকে বার্ষিক পরীক্ষা

মো: রবিউল ইসলাম  বাঘা উপজেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেতন গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। অন্যদিকে চলছে প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি কোমলমতি শিশুরা গত বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির প্রথম দিনে শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেননি। অন্যদিকে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ  নিয়ে দেখা গেছে শুধু প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম সকল শ্রেণিকক্ষের পরীক্ষা নিচ্ছেন এবং কোন সহকারী শিক্ষক শিশুদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অংশগ্রহণ করেনি|

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এই লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।

 

তাদের দাবিগুলো হলো—সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতার সমাধান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

 

সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি, দ্রুতই কর্তৃপক্ষ এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। সন্তোষজনক ও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

 

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় ১১তম গ্রেডের আশ্বাস পাওয়া গেলেও ১৬ দিন পার হয়ে গেছে; কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

 

তাই আবারও কর্মবিরতিতে যেতে হয়েছে। সারা দেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।

 

পরিষদের আরেক আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না করে কোনো শিক্ষক কাজে ফিরবেন না।

 

এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদার লড়াই। ১২ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে।’

 

১ ডিসেম্বর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের জিম্মি করে দাবি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে

 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় এক কোটি এবং শিক্ষক তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড দশমে উন্নীত করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী বাঘায় জিম্মি কোমলমতি শিশুরা একদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি অন্যদিকে বার্ষিক পরীক্ষা

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বেতন গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। অন্যদিকে চলছে প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি কোমলমতি শিশুরা গত বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির প্রথম দিনে শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেননি। অন্যদিকে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ  নিয়ে দেখা গেছে শুধু প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম সকল শ্রেণিকক্ষের পরীক্ষা নিচ্ছেন এবং কোন সহকারী শিক্ষক শিশুদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অংশগ্রহণ করেনি|

প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এই লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।

 

তাদের দাবিগুলো হলো—সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতার সমাধান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

 

সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি, দ্রুতই কর্তৃপক্ষ এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। সন্তোষজনক ও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

 

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় ১১তম গ্রেডের আশ্বাস পাওয়া গেলেও ১৬ দিন পার হয়ে গেছে; কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

 

তাই আবারও কর্মবিরতিতে যেতে হয়েছে। সারা দেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।

 

পরিষদের আরেক আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না করে কোনো শিক্ষক কাজে ফিরবেন না।

 

এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদার লড়াই। ১২ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে।’

 

১ ডিসেম্বর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের জিম্মি করে দাবি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে

 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় এক কোটি এবং শিক্ষক তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড দশমে উন্নীত করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড