রাজশাহী বাঘায় জিম্মি কোমলমতি শিশুরা একদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি অন্যদিকে বার্ষিক পরীক্ষা
- আপডেট সময় : ১২:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে

বেতন গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। অন্যদিকে চলছে প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা জিম্মি কোমলমতি শিশুরা গত বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির প্রথম দিনে শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেননি। অন্যদিকে ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে শুধু প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম সকল শ্রেণিকক্ষের পরীক্ষা নিচ্ছেন এবং কোন সহকারী শিক্ষক শিশুদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অংশগ্রহণ করেনি|
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এই লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।
তাদের দাবিগুলো হলো—সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতার সমাধান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।
সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি, দ্রুতই কর্তৃপক্ষ এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। সন্তোষজনক ও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’
সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় ১১তম গ্রেডের আশ্বাস পাওয়া গেলেও ১৬ দিন পার হয়ে গেছে; কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
তাই আবারও কর্মবিরতিতে যেতে হয়েছে। সারা দেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন।
পরিষদের আরেক আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না করে কোনো শিক্ষক কাজে ফিরবেন না।
এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদার লড়াই। ১২ নভেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে।’
১ ডিসেম্বর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের জিম্মি করে দাবি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় এক কোটি এবং শিক্ষক তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড দশমে উন্নীত করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড
























