স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানের কাছে বিশেষ সুবিধা চাইতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
ঢাকার পক্ষ থেকে টোকিওকে প্রস্তাব দেওয়া হবে যাতে ২০২৯ সাল পর্যন্ত জাপান সরকারের ঋণে বর্তমান রেয়াতি সুবিধা বহাল থাকে। উত্তরণের এই সময়ে যাতে এই ঋণ উচ্চ সুদের বাজারভিত্তিক ঋণে পরিণত না হয়, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
শুধু প্রকল্পভিত্তিক ঋণ নয়, এবার নিয়মিত বাজেট সহায়তা এবং নীতিভিত্তিক অর্থায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ।
এছাড়া ১২০০ মেগাওয়াটের মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি, কয়লা আমদানি জটিলতা এবং সঞ্চালন লাইনের সমস্যা সমাধানে জাইকার কাছে জরুরি কারিগরি সহায়তা চাওয়া হবে।
সরকার ভবিষ্যতে জাইকার অর্থায়নে প্রকল্প বাছাইয়ে আরও সতর্ক থাকতে চায়। শুধুমাত্র কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদন বৃদ্ধি ও বেসরকারি বিনিয়োগে সহায়ক প্রকল্প নিয়ে ‘কৌশলগত বিনিয়োগ পোর্টফোলিও’ গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ওষুধ, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর, বন্ড মার্কেট ও লজিস্টিকস খাতে বৈচিত্র্য আনতে জাপানের সহযোগিতা চাওয়া হবে।
অপরদিকে, পরিবর্তনশীল সুদের হারের ঝুঁকি কমাতে সুদের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দেবে ঢাকা। বর্তমানে টোকিও টার্ম রিস্ক-ফ্রি রেটের (TORF) সঙ্গে স্প্রেড যোগ হয়ে সুদের হার প্রায় ১.৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। এজন্য ভাসমান সুদকে স্থির হারে রূপান্তর বা ঝুঁকি ভাগাভাগির প্রস্তাব দেওয়া হবে।
Office Address: House-969, Floor-3, Road No-15, Avenue-2, DOHS, Mirpur, Dhaka-1216. Hotline: 01713780618, W/A No:01713780618, Gmail: dtntv79@gmail.com.
Copyright © 2026 Durniti Talash News Tv. All rights reserved.