পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভাধীন ঝিনুকনগর এলাকায় মামলা বিচারাধীন একটি পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুবেলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ১০টি পরিবার।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনুকনগর এলাকার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মনজুরুল হক।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৬১ সালে ২৪৯ শতক জমি বৈধভাবে ক্রয় করে দীর্ঘ ৬৬ বছর ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন প্রয়াত আবু নুর মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের উত্তরাধিকারীরা। বাড়ির পাশেই অবস্থিত বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। কিন্তু ২০২৫ সালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি নোটিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এসএ রেকর্ডের নকশায় তাঁদের ক্রয়কৃত জমির মধ্য থেকে ৩৫ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে।
এই জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিকারে তাৎক্ষণিকভাবে তারা আদালতে নকশা সংশোধনের মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান অবস্থায় আদালতে ওই জমিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও আদালত এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি। অথচ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুবেল আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া তথ্যের আশ্রয় নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে নানাভাবে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এর অংশ হিসেবে গত ৩ নভেম্বর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঢাল বানিয়ে মনগড়া ও বানোয়াট তথ্যে একটি মানববন্ধন করান ওই অধ্যক্ষ, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মনজুরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা ৬৬ বছর ধরে আমার বাবার কেনা জমিতে বৈধভাবে বসবাস করে আসছি। জমি ক্রয়ের পর থেকেই বিদ্যালয় তার নিজ সীমানায় এবং আমরা আমাদের সীমানায় ঘরবাড়ি করে শান্তিতে বসবাস করে আসছিলাম। অথচ হঠাৎ করেই এসএ রেকর্ডে আমাদের ৩৫ শতক জমি জবরদখলের চক্রান্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালত কর্তৃক অ্যাডভোকেট কমিশন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখিয়ে অধ্যক্ষ মহোদয় ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। আদালত ইনজাংকশনের কোনো আদেশ না দিলেও ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করা সুস্পষ্ট আদালত অবমাননা ও গুরুতর অপরাধ। আমরা অবিলম্বে এই হয়রানি বন্ধ এবং আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।"
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ১০টি পরিবারের নারী, পুরুষ ও বয়োবৃদ্ধ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে এই হয়রানি থেকে মুক্তি এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
রফিকুল
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
০৬.১১.২০২৬
পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভাধীন ঝিনুকনগর এলাকায় মামলা বিচারাধীন একটি পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুবেলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ১০টি পরিবার।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনুকনগর এলাকার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মনজুরুল হক।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ১৯৬১ সালে ২৪৯ শতক জমি বৈধভাবে ক্রয় করে দীর্ঘ ৬৬ বছর ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন প্রয়াত আবু নুর মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের উত্তরাধিকারীরা। বাড়ির পাশেই অবস্থিত বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। কিন্তু ২০২৫ সালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একটি নোটিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এসএ রেকর্ডের নকশায় তাঁদের ক্রয়কৃত জমির মধ্য থেকে ৩৫ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে।
এই জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিকারে তাৎক্ষণিকভাবে তারা আদালতে নকশা সংশোধনের মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান অবস্থায় আদালতে ওই জমিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও আদালত এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি। অথচ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুবেল আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া তথ্যের আশ্রয় নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে নানাভাবে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এর অংশ হিসেবে গত ৩ নভেম্বর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঢাল বানিয়ে মনগড়া ও বানোয়াট তথ্যে একটি মানববন্ধন করান ওই অধ্যক্ষ, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মনজুরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা ৬৬ বছর ধরে আমার বাবার কেনা জমিতে বৈধভাবে বসবাস করে আসছি। জমি ক্রয়ের পর থেকেই বিদ্যালয় তার নিজ সীমানায় এবং আমরা আমাদের সীমানায় ঘরবাড়ি করে শান্তিতে বসবাস করে আসছিলাম। অথচ হঠাৎ করেই এসএ রেকর্ডে আমাদের ৩৫ শতক জমি জবরদখলের চক্রান্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালত কর্তৃক অ্যাডভোকেট কমিশন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখিয়ে অধ্যক্ষ মহোদয় ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। আদালত ইনজাংকশনের কোনো আদেশ না দিলেও ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করা সুস্পষ্ট আদালত অবমাননা ও গুরুতর অপরাধ। আমরা অবিলম্বে এই হয়রানি বন্ধ এবং আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।"
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ১০টি পরিবারের নারী, পুরুষ ও বয়োবৃদ্ধ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে এই হয়রানি থেকে মুক্তি এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
Office Address: House-969, Floor-3, Road No-15, Avenue-2, DOHS, Mirpur, Dhaka-1216. Hotline: 01713780618, W/A No:01713780618, Gmail: dtntv79@gmail.com.
Copyright © 2026 Durniti Talash News Tv. All rights reserved.