বগুড়া শহরের এসপি ব্রিজ এবং লাহিড়ী পাড়া ইউনিয়নের গৌরিদাসপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর উপলক্ষে প্রস্তাবিত স্থান ও ‘করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প’-এর সার্বিক কাজের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
আজ রোববার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী নদী পুনঃখনন, তীর সংরক্ষণ, ভাঙন প্রতিরোধ ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। এ সময় কাজের সঠিক পরিকল্পনা ও কারিগরি মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
‘নদী বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ’
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, আর নদীর প্রাণ ফিরলে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। বর্তমান সরকার নদী, খাল ও জলাশয় পুনরুদ্ধারকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধারের একটি বৃহৎ মেগা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি হ্রাস, কৃষি সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।”
করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ।
করতোয়া নদীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের পলি জমে নাব্যতা হ্রাস, দখল ও দূষণের কারণে নদীটি তার স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়েছে। শুধু করতোয়া নয়, এর সাথে যুক্ত ইছামতি ও গজারিয়া নদী পুনঃখননের মাধ্যমে এ অঞ্চলের পুরো নদী ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। পাশাপাশি বগুড়া শহরকে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য শুধু নদী খনন নয়, বরং নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌফিকুর রহমান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন, বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ. কে. এম. আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ রুহুল আমিনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বত
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন