কক্সবাজারের পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদ। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধসমূহ স্থায়ীভাবে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ এবং কুতুবদিয়ায় সুপার ডাইক নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (বাপাউবো) দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মেহেরনামা (পেকুয়া): সকাল ৯:৪০ মিনিটে প্রতিমন্ত্রী পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা এলাকায় বন্যায় ধসে যাওয়া বাঁধ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং তা স্থায়ীভাবে মেরামতের নির্দেশনা দেন।
রোমাইপাড়া (কুতুবদিয়া): সকাল ১১:৩০ মিনিটে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের রোমাইপাড়া এলাকায় বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী সংস্কার ও প্রয়োজনীয় স্থানে ‘সুপার ডাইক’ নির্মাণের নির্দেশ দেন তিনি।
শরৎঘোনা ও সোনালী বাজার (পেকুয়া): দুপুর ১২:৪০ মিনিটে পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা ও সোনালী বাজার এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করে দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “উপকূলীয় এলাকার মানুষের জানমাল, বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও জীবিকা রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ স্থায়ীভাবে পুনর্নির্মাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। শুধু সাময়িক মেরামত নয়, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁধগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করা হবে।”
তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত অবস্থা পর্যালোচনা ও কারিগরি দিক বিবেচনা করে ইতোমধ্যে ৯৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ৬.৫ কিলোমিটার প্রতিরক্ষা কাজসহ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি শিগগিরই একনেকে (ECNEC) উপস্থাপন করা হবে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শুরু করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য জনাব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ রুহুল আমিন এবং কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব এ. টি. এম. নুরুল বশর চৌধুরীসহ বাপাউবো-র স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণ
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন