অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরোপিত ১২০ কোটি ডলারের জরিমানার কারণে শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ ডলার। এই জরিমানার প্রভাব বাদ দিলে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়াত ১ দশমিক শূন্য ৮ ডলার, যা বাজার পূর্বাভাসের চেয়ে কম।
পূর্ণ কর-সমমানের ভিত্তিতে (ফুল ট্যাক্সেবল-ইকুইভ্যালেন্ট বেসিস) ব্যাংকটির রাজস্ব অর্জিত হয়েছে ৩ হাজার ১২ কোটি ডলার। এই আয়ও বাজারের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয় জরিমানার বিষয়টি ঘোষণা করে। এর পরই ব্যাংকটির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বিষয়টি কড়া নজরদারির মধ্যে পড়ে।
২০১০ সাল থেকে ব্যাংক অব আমেরিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্রায়ান ময়নিহান। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পরবর্তী বছরগুলোতে তার মেয়াদের শুরুর সময়টি মূলত আবাসন ঋণ বা বন্ধকি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পেছনে ব্যয় হয়েছিল।
জেপি মরগান চেজ, গোল্ডম্যান স্যাকস, সিটিগ্রুপ এবং ওয়েলস ফার্গোর মিশ্র প্রান্তিক ফলাফল প্রকাশের ঠিক পরদিনই ব্যাংক অব আমেরিকা নিজেদের আয় সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করল। বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল জেপি মরগানের শেয়ারপ্রতি আয় এবং রাজস্বও।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন