চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার এবং চুরি ও অবৈধভাবে পণ্য কেনাবেচা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ৪২টি শিপিং এজেন্ট কোম্পানি, কেএএফসিও (KAFCO), সিইউএফএল (CUFL), পিসিটি (PCT), আরএসজিটি (RSGT) ও বিএসএএ (BSAA)-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন রাতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের বড় একটি অংশ এ বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে বন্দরের নিরাপত্তা ও নিরাপদ নৌবাণিজ্য নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চট্টগ্রাম বন্দর ও তৎসংলগ্ন জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে চুরি, চোরাচালান এবং অবৈধভাবে পণ্য কেনাবেচা প্রতিরোধে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানান তিনি।
কোস্ট গার্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত টহল ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির ঘটনা কমেছে। ২০২৪ সালে এ ধরনের ১০টি ঘটনা ঘটলেও ২০২৫ সালে তা কমে চারটিতে দাঁড়ায়। ২০২৬ সালেও এ সংখ্যা চারটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানানো হয়।
বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা আরও জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ, অবৈধ পণ্য কেনাবেচা বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্যিক জাহাজে অপরাধের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন