কক্সবাজার জেলার অন্তর গত মহেশখালী উপজেলার কুতুবজুম ইউনিয়ন এর ০৪ নং ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করেন মোহাম্মদ সুলতান এর পুত্র আবুল কাসেম, সেই গত ২০১২ সাল থেকে সাগর পথে মালি শিয়া মানব পাচার করে কোটি কোটি টাকা আয় করে আসিতেছে, সেই করে না এমন কোন অপকর্ম৷ নেই। যেমন ইয়াবা পাচার,মানব পাচার, অস্ত্র পাচার, পরধনলোভী, জবরদখল করা তার নৈমিত্তিক পেশা ও নেশা।অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সেই যুবলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে তার ছোট বোনের জামাই শেখ কামাল, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ যুবলীগ মহেশখালী উপজেলা শাখা,তার সাথে সেন্ডিকেট করে হাজার হাজার প্যারবন উজাড় চিংড়ি ঘের তৈরি করে অনেক অনেক অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে।এবং একাদিক মামলার আসামি কাসেমের নামে মহেশখালী থানায় ১২টি মামলা রুজু আছে। তার মধ্যে ০৩টি মানব পাচার, মামলা মামলা , ধারা ০৭/০৮/(২)
,০৩টি হত্যা মামলা, ধারা ৩০২,বাকি গুলো ডাকাতি সহ বিভিন্ন প্রকার মামলা, তার অত্যচারে এলাকা বাসি অতিষ্ঠ, কয়েক বার তাহাকে মহেশখালী থানার পুলিশ সদস্য রা গ্রেফতার করেছে কিন্তু থানা বরাবর আনার সুযোগ হয়নি, কলে কৌশলে পালিয়ে যায়,গত দুই মাস পুর্বে কুতুবজুম ইউনিয়ন এর বটতলা বাজার থেকে মহেশখালী থানা তদন্ত অফিসার এস আই ইকবালের নেতৃত্বে কাসেম কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, হঠাৎ কাসেম বাহিনীর লোকজন পুলিশের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং মারদর করে পুলিশ সদস্যের হাত থেকে হাতকড়া সহ চিনিয়ে নিয়ে যায়,সেই বিষয় নিয়ে মহেশখালী থানার এস,আই ইকবাল বাদি হয়ে কাসেমের চাচা বিএনপির নেতা মওলানা শফিউল আলম কে ০১ নং করে ১০-১২ জন অজ্ঞাত ৫০ জন আসামি করে মামলা রুজু করে,সেই মামলায় তার চাচা বিএনপির নেতা মওলানা শফিউল আলম বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে,গত ১৮/১০/ ২০২৬ ইংরেজি তারিখে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে নিজস্ব চিংড়ি ঘেরের বাসা থেকে মহেশখালী থানার এসআই ইকবালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে কাসেম বাহিনীর কাসেম কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়, গত১৮ই অক্টোবর মহেশখালী আদালতে প্রেরন করা হয়, বিজ্ঞ আদালত তাহাকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।বড় দুঃখের বিষয় টি হল এই রকম একাদিক মামলার আসামি কেমনে হাতে হাতকড়া না লাগিয়ে কোট থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।তাহাতে বুঝা যায়, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশে পারে না এমন কোন কাজ নেই। মহেশখালী থানার ওসি সাহেব ও সকল পুলিশ সদস্য কে ধন্যবাদ জানাই সকল আসামির বিষয় অভিযান অব্যহত রাখার জন্য।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন