ন্যাশানাল কংগ্রেস বাংলাদেশ (এনসিবি) এর চেয়ারম্যান কাজী ছাব্বীর বলেছেন, সাইদুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হুমকি দাতাদের দ্রুত আইনের আনতে হবে।
ময়মনসিংহ ৮ ঈশ্বরগঞ্জের এমপি লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও তার সহযোগি আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি ও তার সন্ত্রাসীবাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানকে প্রাণে মেরে ফেলার যে হুমকি দেয়া হচ্ছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
আজ ৬ নভেম্বর শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ ইযূথ ফোরামের উদ্যোগে এক জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১০ টায় এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মুহাম্মদ সাইদুর রহমান আশির দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ও চব্বিশ জুলাই আন্দোলনে একজন সম্মুখ যোদ্ধা।
আর এমপি মাজেদ তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত ছিলেন। এমপি মাজেদ একজন দূর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তি। তিনি এমপি হওয়ার পরে ঈশ্বরগঞ্জে তার সন্ত্রাসীবাহিনী জনগণের উপর সীমাহীন অত্যাচার করে যাচ্ছে। মুহাম্মদ সাইদুর রহমান প্রতিবাদ করায় আজ তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে। উক্ত বিষয়ে মুহাম্মদ সাইদুর রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই হুমকি দাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ঈশ্বরগঞ্জের জনগণকে সন্ত্রাসীবাহির হাত থেকে রক্ষা করবেন।
সমমনা গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মাসুম মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামের নেতৃবৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রী বরাবর মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের লিখিত অভিযোগে জানা যায়,
পলাতক ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগসাজশে বিমানবন্দরের টার্মিনাল নিয়ে চার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি ও প্রতারণার দায়ে এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চার-চারটি মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বরগুলো হচ্ছে যথাক্রমে- ৮২/২০২৫, ৮৩/২০২৫,৮৪/২০২৫ এবং ৮৫/২০২৫। উল্লেখ্য যে, এমপি মাজেদ বাবুর কোম্পানীর নাম হচ্ছে ‘অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল।’ বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও কাজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও অর্থ আত্মসাতের কারণে তারিক সিদ্দিকী, বিমানের তৎকালীন চেয়ারম্যান ও এমপি মাজেদ বাবুসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়েরকৃত মামলাগুলো বর্তমানে ঢাকার বিজ্ঞ আদালতে
বিচারাধীন রয়েছে।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে,
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে দেওয়া এমপি মাজেদ বাবুর বিভিন্ন সময়ে হলফনামার তথ্যে নানা রকমের অসংগতি ও গরমিল পরিলক্ষিত হয়। তিনি ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে নমিনেশন চায়, নির্বাচন কমিশনে দেওয়া তার হলফনামায় তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ১৯৯৬ সালে এইচএসসি পাশ দেখিয়েছেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে তার হলফনামায় সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি ‘বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স’ উল্লেখ করেন। আবার ২০২৬ সালে তার হলফনামায় সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ‘এমবিএ’ উল্লেখ করেন। #
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন