গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৬০ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাসাইর বাজারে অবৈধ স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বাসাইর বাজার, জামালপুর ও ফুলদি এবং বক্তারপুর এলাকায় বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে নামবিহীন ও মোড়কবিহীন জন্মদিনের কেক উৎপাদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ও ৫২ ধারায় একটি মামলায় ভোলা জেলাধীণ চরফ্যাশন থানার শশিভূষণ এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেনকে ১০ হাজার টাকা এবং জামালপুর বাজারের নুবহা জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও হালনাগাদ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় হাসপাতালের সহকারী ম্যানেজার আনোয়ার হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা ।
অন্যদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনটি মামলায় প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে মোট ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি বক্তারপুর ইউনিয়নের মাঝুখান গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. রাব্বিকে (২৬) ১৬দিন, জামালপুর ইউনিয়নের কলাপাটুয়া গ্রামের জসিমের ছেলে আসিফকে (২৩) ৩ মাস এবং বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে মো. মোতালিবকে (২৩) ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ, নিরাপদ খাদ্য-সংশ্লিষ্ট স্যানিটারি ইন্সপেক্টর দেব প্রসাদ মিত্র এবং গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঞা। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন