মহাপরিচালক জানান, নতুন আসা কোচগুলোর একটি অংশ দিয়ে শিগগিরই একটি নতুন ট্রেন চালু করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে আরও কোচ দেশে আসার পর যাত্রীদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী নতুন ট্রেন বাড়ানোর পাশাপাশি রেলওয়ের পুরোনো ও জরাজীর্ণ কোচগুলোও প্রতিস্থাপন করা হবে।
স্টেশনগুলোর সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে রেলওয়ের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, মালামাল ওঠানো-নামানো এবং যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতে মাঠপর্যায়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেসব স্টেশনে যাত্রী ও পরিবহনের চাহিদা বেশি, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী রেললাইন সম্প্রসারণ, লুপ লাইন বৃদ্ধি এবং ট্রেনের কোচের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের বিষয়ে মহাপরিচালক জানান, কেবল বাংলাদেশের অংশে রেললাইন নির্মাণ করলেই প্রত্যাশিত আঞ্চলিক যোগাযোগের সুফল মিলবে না। এর জন্য ভারতের অংশেও রেল সংযোগ থাকা আবশ্যক। দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতি ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পরিদর্শনকালে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জাহিদ হাসানসহ রেলওয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন