চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় গভীর রাতে অবৈধভাবে পাচারের সময় ৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় জড়িত বিসিআইসি সার ডিলারকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সারের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুনাইন বিন জামানের দায়ের করা প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
সাজা প্রাপ্ত অভিযুক্তরা হলেন মেসার্স নিরাপদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী বিসিআইসি ডিলার গোলাম শাহনেওয়াজ এবং নসিমন চালক মো. মতিন। আদালতে স্ব ইচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করায় ডিলার গোলাম শাহনেওয়াজকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে নসিমন চালক মতিনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধারকৃত ৮০ বস্তা ডিএপি সার সরকারি অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরে সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. পারভেজ আলীর জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। একই সাথে অভিযুক্ত গোলাম শাহনেওয়াজের বিসিআইসি ডিলারশিপ বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ জানান, কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মজুত ও পাচার প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কৃষকের প্রাপ্য সার গোপনে সরিয়ে নেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন