নোয়াখালীতে প্রসবজনিত ফিস্টুলা রোগী শনাক্তকরণে মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার সব উপজেলায় এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) এবং সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) নোয়াখালীতে ‘ফিস্টুলা নির্মূলকরণ কার্যক্রম-২০৩০’ বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
সভায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক আবুল কাশেম মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। ডা. পপি রানী কুন্ডুর সঞ্চালনায় সভায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ফিস্টুলার কারণ, লক্ষণ, রোগী শনাক্তকরণ, রেফারেল, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিআইপিআরবির প্রকল্প সমন্বয়ক মো. আলতাফুর রহমান।
সিভিল সার্জন বলেন, নোয়াখালীকে প্রসবজনিত ফিস্টুলামুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বাড়িতে প্রসবের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবে উৎসাহিত করা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সম্ভাব্য রোগী শনাক্ত করার আহ্বান জানান।
ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবং কমিউনিটি নেটওয়ার্কের সহায়তায় সম্ভাব্য রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। সন্দেহভাজন রোগীদের নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টারে পাঠানো হবে। সেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দরিদ্র রোগীদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন